সুনামগঞ্জ , শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ , ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে মহিষ চুরির সন্দেহে আটক দুই ও মাংস জব্দ নিখোঁজের পর ধানক্ষেতে মিলল ৭ বছরের শিশুর লাশ, দোয়ারাবাজারে তোলপাড় ‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা

নির্বাচন-সরকার-গদি সবকিছুই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে : শিশির মনির

  • আপলোড সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৪:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৪:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন
নির্বাচন-সরকার-গদি সবকিছুই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে : শিশির মনির
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না থাকলে, সংস্কার ও গণভোট অবৈধ হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সরকার এবং গদি সবকিছুই বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ প্রশ্নে রুল জারির পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, আমরা মনে করি একটি রাজনৈতিক দল নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারার চেষ্টা করছে। যদি বাংলাদেশে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না থাকে, ৩০টি কনসেনসাসের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব না থাকে, গণভোটের প্রশ্নও অবৈধ হয়। তাহলে শেষ পর্যন্ত থাকবে কি? শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থাকে? সরকার থাকে? নিজের গদি থাকে? সবকিছুই বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন। তো এই দায় দায়িত্ব তাদেরকে নিতে হবে। তিনি বলেন, যারা এই প্যান্ডোরার বক্স ওপেন করাচ্ছেন, দে হ্যাভ টু টেক দে রেস্পন্সিবিলিটি অন দেয়ার সোল্ডার। জাতীয় জীবনের এত বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ডিজাইন করে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানিয়ে পার্লামেন্টকে পাশ কাটানোর যে কৌশল, এটি অতীতেও ভালো কোনো কৌশল হিসেবে প্রমাণিত হয় নাই। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান ই খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। আর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যের শপথের জন্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সপ্তাহে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম। রিটকারীদের দুজনই বিএনপিপন্থী আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেন, সংবিধানের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অসাংবিধানিক হবে না এটি একটি রুল। আরেকটি রুল হলো সংসদ সদস্যদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর জন্য যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, ওই চিঠির দ্বিতীয় অংশ সংবিধান সংশোধন সভার সদস্য হিসেবে শপথ নেয়াটা কেন অবৈধ হবে না এটি আরেকটি রুল। আরেকটি রুল হলো গণভোটের সেকশন তিনে যে চারটি প্রশ্ন দেয়া আছে সেটি কেন অবৈধ হবে না? এটি আরেকটি রুল। আর আরেকটি হলো ওই গণভোট অর্ডিন্যান্সের তফসিলের ৩০টি ঐক্যমতের ভিত্তিতে যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছিল সেটি কেন অবৈধ করা হবে না? এটি হলো আরেকটি রুল। এই চারটি সেপারেট সেপারেট রুল জারি হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি ৫ই আগস্টের পরে যে সংস্কার কর্মকা- পরিচালনা করার জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেই উদ্যোগকে রাজনৈতিক মত ঐক্যের বাইরে নিয়ে এসে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানানো হলো। অতীতেও আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানানো হয়েছে, যা রাজনৈতিকভাবে সেটেল করার বিষয় ছিল, তার কোনো ফল ভালো হয়নি। ৩০টি বিষয়ে যেখানে বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দল একমত হলো, সেই ৩০টি বিষয়কেও রুলের অধীনে কার ইনস্ট্রাকশনে আনা হলো। এটি আমরা এখনো পর্যন্ত বোধগম্য নই। শিশির মনির বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি এই রিট মামলা শুনানি এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের একাংশের ডাইরেক্ট সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে। ফলে আমরা ধরে নিতে পারি যে সরকার এই সংস্কার প্রস্তাবকে পার্লামেন্টকে বাইপাস করে কোর্টের মাধ্যমে সেটেল করে এক ধরনের স্থিতাবস্থা বা সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার সরকারকে মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে দ্বিচারিতা করছেন। এই দ্বিচারিতার অংশ হিসাবে গত সোমবার তারা প্রস্তাব পাঠিয়েছেন ডেপুটি ¯িপকারকে, যা বিরোধী দল থেকে দেওয়া হবে। অথচ এটা ৩০টি প্রস্তাবের মধ্যে আছে এবং সবাই একমত হয়েছিল। এটাকে আজকে রুলের অংশ করা হয়েছে। একদিকে বলছেন ডেপুটি স্পিকার দেওয়া হবে, নাম প্রস্তাব করেন, অন্যদিকে নিজস্ব ইনস্ট্রাকশনে ইনডাইরেকলি রিট পিটিশন দায়ের করে সংস্কার প্রস্তাবকে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানাচ্ছেন। এটার নাম হলো দ্বিচারিতা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ