সুনামগঞ্জ , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ , ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির শহরে জলাবদ্ধতাসহ নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনের দাবি অপরাধমুক্ত সুনামগঞ্জ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জামালগঞ্জে বাঁধ ভেঙে ঢুকছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে বসতভিটা, আমন ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক জামায়াতে ইসলামী থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি যুবদল সভাপতির জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা জেলা পুলিশের অনলাইনভিত্তিক কুইজে প্রথম জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে আছিয়ার শেষ আশ্রয়, অনিশ্চয়তায় জীবন ছাতক পৌরসভার টেকসই উন্নয়নে আইইউজিআইপি’র সভা জগন্নাথপুর পৌরসভার ২২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার বাজেট ঘোষণা অস্তিত্ব সংকটে পান্ডারখাল বাঁধ ওয়ার্ল্ড ভিশনের শিশুদের বার্ষিক সমাবেশ, ২ হাজার ৭৫০ শিশুর মাঝে উপহার বিতরণ সক্রিয় মাদক কারবারি চক্র মাদক, ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে গ্রামে দিরাই বিএনপিতে বিরোধ চরমে একপক্ষের বহিষ্কারের সুপারিশ, অপরপক্ষের উন্নয়ন সভার ডাক এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামিয়ে আনা সম্ভব : আইনমন্ত্রী জামায়াতের এমপির ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ভাইরাল, ফেসবুকে যে ব্যাখ্যা দিলেন চেলা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা ৪৮ পদের মধ্যে ৩৬টিই শূন্য জামালগঞ্জে নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে শতাধিক বসতভিটা

নির্বাচন-সরকার-গদি সবকিছুই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে : শিশির মনির

  • আপলোড সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৪:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৪:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন
নির্বাচন-সরকার-গদি সবকিছুই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে : শিশির মনির
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না থাকলে, সংস্কার ও গণভোট অবৈধ হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সরকার এবং গদি সবকিছুই বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ প্রশ্নে রুল জারির পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, আমরা মনে করি একটি রাজনৈতিক দল নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারার চেষ্টা করছে। যদি বাংলাদেশে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না থাকে, ৩০টি কনসেনসাসের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব না থাকে, গণভোটের প্রশ্নও অবৈধ হয়। তাহলে শেষ পর্যন্ত থাকবে কি? শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থাকে? সরকার থাকে? নিজের গদি থাকে? সবকিছুই বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন। তো এই দায় দায়িত্ব তাদেরকে নিতে হবে। তিনি বলেন, যারা এই প্যান্ডোরার বক্স ওপেন করাচ্ছেন, দে হ্যাভ টু টেক দে রেস্পন্সিবিলিটি অন দেয়ার সোল্ডার। জাতীয় জীবনের এত বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ডিজাইন করে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানিয়ে পার্লামেন্টকে পাশ কাটানোর যে কৌশল, এটি অতীতেও ভালো কোনো কৌশল হিসেবে প্রমাণিত হয় নাই। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান ই খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। আর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যের শপথের জন্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সপ্তাহে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম। রিটকারীদের দুজনই বিএনপিপন্থী আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেন, সংবিধানের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অসাংবিধানিক হবে না এটি একটি রুল। আরেকটি রুল হলো সংসদ সদস্যদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর জন্য যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, ওই চিঠির দ্বিতীয় অংশ সংবিধান সংশোধন সভার সদস্য হিসেবে শপথ নেয়াটা কেন অবৈধ হবে না এটি আরেকটি রুল। আরেকটি রুল হলো গণভোটের সেকশন তিনে যে চারটি প্রশ্ন দেয়া আছে সেটি কেন অবৈধ হবে না? এটি আরেকটি রুল। আর আরেকটি হলো ওই গণভোট অর্ডিন্যান্সের তফসিলের ৩০টি ঐক্যমতের ভিত্তিতে যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছিল সেটি কেন অবৈধ করা হবে না? এটি হলো আরেকটি রুল। এই চারটি সেপারেট সেপারেট রুল জারি হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি ৫ই আগস্টের পরে যে সংস্কার কর্মকা- পরিচালনা করার জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেই উদ্যোগকে রাজনৈতিক মত ঐক্যের বাইরে নিয়ে এসে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানানো হলো। অতীতেও আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানানো হয়েছে, যা রাজনৈতিকভাবে সেটেল করার বিষয় ছিল, তার কোনো ফল ভালো হয়নি। ৩০টি বিষয়ে যেখানে বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দল একমত হলো, সেই ৩০টি বিষয়কেও রুলের অধীনে কার ইনস্ট্রাকশনে আনা হলো। এটি আমরা এখনো পর্যন্ত বোধগম্য নই। শিশির মনির বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি এই রিট মামলা শুনানি এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের একাংশের ডাইরেক্ট সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে। ফলে আমরা ধরে নিতে পারি যে সরকার এই সংস্কার প্রস্তাবকে পার্লামেন্টকে বাইপাস করে কোর্টের মাধ্যমে সেটেল করে এক ধরনের স্থিতাবস্থা বা সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার সরকারকে মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে দ্বিচারিতা করছেন। এই দ্বিচারিতার অংশ হিসাবে গত সোমবার তারা প্রস্তাব পাঠিয়েছেন ডেপুটি ¯িপকারকে, যা বিরোধী দল থেকে দেওয়া হবে। অথচ এটা ৩০টি প্রস্তাবের মধ্যে আছে এবং সবাই একমত হয়েছিল। এটাকে আজকে রুলের অংশ করা হয়েছে। একদিকে বলছেন ডেপুটি স্পিকার দেওয়া হবে, নাম প্রস্তাব করেন, অন্যদিকে নিজস্ব ইনস্ট্রাকশনে ইনডাইরেকলি রিট পিটিশন দায়ের করে সংস্কার প্রস্তাবকে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানাচ্ছেন। এটার নাম হলো দ্বিচারিতা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ

উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ